ছবি: সংগৃহীত
চলতি বছরে রপ্তানি ছাড়িয়েছে ২২ হাজার মেট্রিক টন, সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্য আলু পাচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজার
বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্য আলু ক্রমেই জায়গা করে নিচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারে। সেই ধারাবাহিকতায় পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে রোববার (৩ আগস্ট) ২৩১ মেট্রিক টন এস্টারিক্স জাতের আলু রপ্তানি হয়েছে নেপালে। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত এই বন্দরের মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশটিতে মোট ২২ হাজার ৫০ মেট্রিক টন আলু রপ্তানি করা হয়েছে।
এই চালানটি রপ্তানি করেছে দেশের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান—থিংকস টু সাপ্লাই, মা আইশা কোল্ডস্টোরেজ, জাফরিন এগ্রো, এগ্রোটার্চ বিডি এবং মিয়ামি ট্রেডি। প্রতিষ্ঠানগুলো ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও বগুড়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উৎকৃষ্ট মানের আলু সংগ্রহ করে তা প্রক্রিয়াজাত ও মান যাচাই শেষে রপ্তানির উপযোগী করে তোলে।
বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার পর রপ্তানি ছাড়পত্র
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের কোয়ারেন্টিন পরিদর্শক উজ্জল হোসেন জানান, প্রতিটি চালান বন্দরের ইয়ার্ডে প্রবেশ করার পর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। মান ও স্বাস্থ্যগত দিক থেকে সন্তোষজনক বিবেচিত হলে দুপুরে রপ্তানির জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
এই চালানে মোট ১১টি বাংলাদেশি ট্রাক অংশ নেয়, যেগুলোর প্রতিটিতে ছিল ২১ মেট্রিক টন করে আলু। ট্রাকগুলো নেপালের মোরাং জেলার বিরাটনগরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
রপ্তানির নতুন দিগন্ত খুলছে আলু
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের আহ্বায়ক রেজাউল করিম শাহীন বলেন, “নেপালের বাজারে আমাদের আলুর ভালো চাহিদা রয়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে উন্নত জাতের আলু সংগ্রহ করে সংরক্ষণের পর রপ্তানি করা হচ্ছে। তবে এই রপ্তানি কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করা সম্ভব, যদি সরকারিক সহযোগিতা এবং প্রণোদনা আরও বাড়ানো হয়।”
আলু রপ্তানিতে সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ
কৃষি অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দেশের উদ্বৃত্ত আলু আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করতে পারলে কৃষক লাভবান হবেন, কোল্ডস্টোরেজের ব্যবহার বাড়বে, এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী à¦

