ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশিদের ভিসা সংকটে ক্ষতির পরিমাণ ৫ হাজার কোটি রুপিরও বেশি
বাংলাদেশি পর্যটকদের ভিসা কার্যক্রম প্রায় পুরোপুরি স্থগিত হয়ে যাওয়ায় চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে কলকাতার পর্যটননির্ভর অর্থনীতি। নিউ মার্কেট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট ও মারকুইস স্ট্রিটের মতো এলাকায় যেন থমকে গেছে ব্যবসার চাকা। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কর্মজীবীরা বলছেন, শুধু এই তিনটি এলাকার আর্থিক ক্ষতিই ছাড়িয়েছে এক হাজার কোটি রুপি। আর পুরো শহরজুড়ে মোট ক্ষতির পরিমাণ ৫ হাজার কোটি রুপি ছাড়িয়েছে বলে দাবি তাঁদের।
ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়া-র এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গত বছর থেকেই নয়াদিল্লি বাংলাদেশিদের ভিসা সীমিত করে দেয়। বর্তমানে শুধু অতি জরুরি প্রয়োজনে কিছু সংখ্যক ভিসা দেওয়া হচ্ছে, যা সামগ্রিক চাহিদার তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল।
পর্যটকের পদচারণা নেই, বন্ধ ব্যবসার প্রাণ
নিউ মার্কেট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, মারকুইস স্ট্রিট—এই এলাকাগুলো ছিল বাংলাদেশি পর্যটকদের পছন্দের শপিং ও ভ্রমণগন্তব্য। এখন সেই জমজমাট রাস্তাগুলো নীরব ও ক্রেতাশূন্য। পর্যটন, হোটেল, রেস্তোরাঁ, কারেন্সি এক্সচেঞ্জ, চিকিৎসা সেবা ও পরিবহন—সব খাতে দেখা দিয়েছে চরম স্থবিরতা।
হায়দার আলী খান, সাধারণ সম্পাদক, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন বলেন,
“শুধু নিউ মার্কেট ও বড়বাজার অঞ্চল মিলিয়েই আগে প্রতিদিন গড়ে ৩ কোটি রুপির লেনদেন হতো। এখন তা প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে।”
স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী প্রবীর বিশ্বাস জানান,
“আগে প্রতিদিন একাধিক বাসে বাংলাদেশি পর্যটক আসতেন। এখন টানা কয়েক দিনেও একজনের দেখা মেলে না।”
মারকুইস স্ট্রিটে মুদ্রা বিনিময়ের সঙ্গে জড়িত মোহাম্মদ ইন্তেজার বলেন,
“আমরা পুরোপুরি বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল। এখন জীবিকা টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে।”
ব্যবসা চালু রাখাই চ্যালেঞ্জ
রাঁধুনি রেস্তোরাঁর মালিক এন সি ভৌমিক জানান,
“বিক্রি এখন আগের তুলনায় ২০ শতাংশে নেমে এসেছে। এভাবে চলতে থাকলে হয়তো ব্যবসা বনà§

