ছবি: সংগৃহীত
টেক ইতিহাসে দ্বিতীয়
বিশ্বের অন্যতম টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট বাজারমূল্যের নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছে। প্রথমবারের মতো কোম্পানিটির বাজারমূল্য পৌঁছেছে চার ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এর আগে শুধুমাত্র এনভিডিয়া এই উচ্চতায় পৌঁছাতে পেরেছিল। এ নিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই মাইলফলক অতিক্রম করল যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।
ওয়াশিংটনের রেডমন্ডে সদরদপ্তর থাকা মাইক্রোসফট চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ৩০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূলধন ব্যয় করেছে। একইসঙ্গে তাদের অ্যাজিউর ক্লাউড সেবার বিক্রি বাড়ার পূর্বাভাসও দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই দু’টি তথ্যই বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়ে দিয়েছে, যা শেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী রাখছে।
চার থেকে এক, এক থেকে চার
২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে মাইক্রোসফট প্রথমবারের মতো এক ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্যে পৌঁছায়। এরপর দীর্ঘ চার বছর পর ২০২৩ সালে তা তিন ট্রিলিয়নে দাঁড়ায়। তুলনামূলকভাবে, এনভিডিয়া মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার বাজারমূল্য তিনগুণ বাড়িয়ে গত ৯ জুলাই চার ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে।
এআই বিনিয়োগেই বড় পালাবদল
বিশ্লেষকদের মতে, ওপেনএআই-এ শত শত কোটি ডলারের বিনিয়োগ মাইক্রোসফটের জন্য এক বড় মোড় ঘোরানো সিদ্ধান্ত ছিল। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি চ্যাটজিপিটি-সহ অন্যান্য জেনারেটিভ এআই সেবাকে নিজেদের অ্যাপস ও অ্যাজিউর প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করেছে, যা তাদের ব্যবসায় নতুন গতি এনেছে।
২০২২ সালের শেষ দিকে চ্যাটজিপিটি চালুর পর থেকেই মাইক্রোসফটের শেয়ারদর দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। ওপেনএআইয়ের সঙ্গে চুক্তির কারণে মাইক্রোসফট জেনারেটিভ এআই খাতে একচেটিয়া প্রবেশাধিকার পেয়েছে। ফলে গুগল ও অ্যামাজনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে।
বাজারে আস্থা বাড়িয়েছে কর্মী ছাঁটাই ও খরচ নিয়ন্ত্রণ
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মাইক্রোসফটের ধারাবাহিক রাজস্ব বৃদ্ধিই ওয়াল স্ট্রিটে কোম্পানিটির ওপর আস্থা বজায় রেখেছে। কর্মী ছাঁটাই,

