ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান। তবে বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বলছে, এই বিষয়ে তারা কিছুই জানে না।
রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাণিজ্য সচিব জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং রেসিপ্রোকাল ট্যারিফের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত উচ্চ শুল্কের চাপ থেকে মুক্তি পেতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার ভাষায়, “আমাদের বিমানের তো বহর বাড়াতে হবে। সেই পরিকল্পনা সরকারের আগেই ছিল। আমরা নতুন করে ২৫টি বোয়িং কেনার আদেশ দিয়েছি, আগে সংখ্যা ছিল ১৪টি।”
তিনি আরও বলেন, “বোয়িংয়ের ব্যবসা যুক্তরাষ্ট্র সরকার করে না, এটা করে বোয়িং কোম্পানি। অনেক দেশই দিয়েছে—ভারত ১০০টা, ভিয়েতনাম ১০০টা, ইন্দোনেশিয়া ৫০টা।”
তবে সরকারের এমন ঘোষণার পর বিমানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এ বিষয়ে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক তথ্য পায়নি। বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক এ বি এম রওশন কবীর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা এ বিষয়ে অবগত নই।”
প্রক্রিয়া মেনেই হওয়া উচিত ছিল
এভিয়েশন খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো এয়ারলাইন্সের বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার সিদ্ধান্ত সাধারণত আসে সেই এয়ারলাইন্সের নিজস্ব মূল্যায়ন, পরিকল্পনা এবং চাহিদার ভিত্তিতে। ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া এই ধরনের সিদ্ধান্তকে ‘অস্বাভাবিক’ এবং ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ বলছেন তারা।
বিমান পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য ও এভিয়েশন বিশ্লেষক কাজী ওয়াহেদুল আলম বলেন, “বিমানকেই আগে জানাতে হবে, তাদের নতুন উড়োজাহাজ দরকার কি না। ফ্লিট চালাবে বিমান, ঋণ পরিশোধ করবে বিমান—তাদের বাদ দিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত হয়নি।”
তিনি জানান, সাধারণত একটি কমার্শিয়াল এয়ারলাইন্সে ফ্লিট প্ল্যানিং কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি বাজার বিশ্লেষণ করে ঠিক করে কোন রুটে কী ধরনের উড়োজাহাজ লাগবে, সেটির অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা কেমন, বিনিয়োগ ফেরত আসতে কত সময় লাগবে ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাব দেয় পরিচালনা পর্ষদে।
পর্ষদ সেই à

