ছবি: সংগৃহীত
কমিশনের প্রধান সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান, ৬ মাসে সুপারিশ জমা দিতে নির্দেশ
দীর্ঘ ৯ বছর পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণে একটি পূর্ণাঙ্গ পে কমিশন গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। নতুন এই কমিশনের নেতৃত্বে আনা হয়েছে সাবেক অর্থসচিব এবং বর্তমানে পল্লী কর্ম–সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান-কে। কমিশনকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশমালা তৈরি করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের নিয়মিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে।
দীর্ঘদিনের দাবি ছিল পে স্কেল হালনাগাদ
বর্তমানে দেশে প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন, যারা এখনো ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন ও ভাতা পাচ্ছেন। গত এক দশকে দেশে দ্রব্যমূল্য, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং অর্থনৈতিক কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন এলেও বেতন কাঠামোতে কোনো উল্লেখযোগ্য সংশোধন হয়নি। এ অবস্থায় সরকারি চাকরিজীবীদের অনেকেই বারবার নতুন পে স্কেলের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এতো দীর্ঘ সময় ধরে বেতন কাঠামো অপরিবর্তিত থাকায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রকৃত আয় হ্রাস পেয়েছে, যার ফলে তাঁদের জীবনে অর্থনৈতিক চাপ বেড়েছে। বিষয়টি বিশেষ করে চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে আরও প্রকট হয়ে ওঠে।
মহার্ঘ ভাতা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা, পরে পিছিয়ে যায় সরকার
২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা চালুর আলোচনার সূত্রপাত হয়। জানুয়ারি ২০২৫ থেকে এটি কার্যকর করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হলেও, বিষয়টি নিয়ে নানামুখী সমালোচনার কারণে সরকার পরে সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসে।
তবে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণাকালে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সরকারি কর্মীদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদানের ঘোষণা দেন। তখনই ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সমাধান

