ছবি: সংগৃহীত
খরচ কমাতে ও সময় বাঁচাতে ভবন ধসের দৃশ্যে এআই-ইফেক্ট, বিতর্কের কেন্দ্রে স্ট্রিমিং জায়ান্ট
জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তির ব্যবহার এবার সরাসরি ঢুকে পড়ল বিনোদন জগতে—তাও আবার বিশ্বের অন্যতম বড় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সের হাত ধরে। খরচ ও সময় বাঁচাতে নিজেদের একটি মূল টিভি সিরিজে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হয়েছে জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে তৈরি ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট (VFX)।
নেটফ্লিক্সের সহ-প্রধান নির্বাহী টেড সারানডোস জানান, আর্জেন্টিনাভিত্তিক সাই-ফাই থ্রিলার সিরিজ ‘দ্য ইটারনটস’-এ বুয়েনস আইরেস শহরের এক ভবন ধসে পড়ার একটি দৃশ্য জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করে নির্মাণ করা হয়েছে। সাধারণত এ ধরনের দৃশ্য তৈরি করতে প্রচলিত ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস টুল ব্যবহার করা হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। কিন্তু এআই প্রযুক্তি ব্যবহারে একই কাজ প্রায় ১০ গুণ দ্রুত শেষ করা গেছে এবং খরচও তুলনামূলকভাবে অনেক কমেছে।
তিনি বলেন, “সেই দৃশ্যের জন্য যদি প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হতো, তাহলে ছোট বাজেটের এ শোয়ের পক্ষে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো না। ফলে জেনারেটিভ এআই আমাদের প্রোডাকশন টিমকে চমৎকারভাবে সহায়তা করেছে।”
বড় আয়, নতুন প্রযুক্তির হাতছানি
নেটফ্লিক্স জানায়, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে তাদের আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১০০ কোটি ডলারে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে মুনাফা বেড়ে হয়েছে ৩১০ কোটি ডলার।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আর্থিক অগ্রগতির পরেই নেটফ্লিক্স নিজেদের প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন এই পদক্ষেপের কথা জানায়।
এ আয় বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ান হিট সিরিজ ‘স্কুইড গেম’-এর তৃতীয় ও শেষ সিজন, যেটি ১২ কোটি ২০ লাখেরও বেশি বার দেখা হয়েছে।
বিতর্কের কেন্দ্রে জেনারেটিভ এআই
যদিও এআই প্রযুক্তি সময় ও খরচ সাশ্রয়ের নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে, তবুও এটি নিয়ে রয়েছে ব্যাপক বিতর্ক ও শঙ্কা।
বিশেষত ২০২৩ সালের হলিউড ধর্মঘটের সময় ‘স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড-আমেরিকান ফেডারেশন অফ টেলিভিশন অ্যান্ড রেডিও আর্টিস্টস’ (SAG-AFTRA) ইউনিয়ন এআই ব্যবহারের বà

