ছবি: সংগৃহীত
বিটিএমএর দাবির পর সাড়া দিল এনবিআর, কৃত্রিম আঁশেও কর অব্যাহতি
দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প খাত—টেক্সটাইল—চাপে পড়েছিল তুলা আমদানিতে আরোপিত ২ শতাংশ উৎসে করের (অ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্স – AIT) কারণে। অবশেষে ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে এই কর প্রত্যাহার করে নিয়েছে সরকার। ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জানায়, তুলা আমদানির সময় উৎসে করের হার এখন থেকে শূন্য থাকবে। একই সঙ্গে কৃত্রিম আঁশ ও অন্যান্য আঁশের সংমিশ্রণে তৈরি সুতা এবং সংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেও উৎসে কর প্রত্যাহার করা হয়েছে।
কী ছিল সমস্যা?
গত বাজেটে (২০২4-২৫ অর্থবছর) তুলা আমদানির সময় ২% উৎসে কর আরোপ করা হয়। সরকারের মতে, রাজস্ব আয় বাড়াতে ও কর নেট বিস্তারে এটি একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ছিল। তবে এর তীব্র বিরোধিতা করে দেশের টেক্সটাইল শিল্পমালিকরা।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই কর প্রয়োগের ফলে তুলা আমদানিতে অতিরিক্ত খরচ বাড়ছিল এবং এতে করে দেশের সুতা উৎপাদনকারীরা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছিল।
বিটিএমএর অভিযোগ কী ছিল?
সংগঠনটির সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, “সরকার শিল্প খাতের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা না করেই হঠাৎ করে এই কর আরোপ করেছে। অথচ তুলা এমন একটি কাঁচামাল, যার কোনো দেশীয় উৎপাদন নেই। সম্পূর্ণরূপে আমদানিনির্ভর এই কাঁচামালের ওপর উৎসে কর বসানো বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।”
তিনি আরও বলেন, “এই অগ্রিম আয়কর বছরে মিলগুলোকে গড়ে ২৯ শতাংশ পর্যন্ত কর বহন করতে বাধ্য করছে। এতে করে ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যকর মূলধন (working capital) কমে যাচ্ছে, যা মিলগুলোকে টিকে থাকা কঠিন করে তুলছে।”
কেন গুরুত্বপূর্ণ তুলা?
বাংলাদেশে তুলা মূলত ব্যবহার হয় সুতা উৎপাদনে, যা পরবর্তী পর্যায়ে তৈরি পোশাক শিল্পে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে দেশে প্রায় ৪৫০টি স্পিনিং মিল রয়েছে, যেগুলোর তুলা নির্ভরতা প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি নির্ভর।
বাংলাদেশ প্রতিবছর গড়ে ৮০-৯০ লাখ বেল তুলা আমদানি করে, যার ৯০ শতাংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলো থেকে।
প্রজ্ঞাপনের ভাষ্য:
এনবিআর-এর সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, “শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যয় হ্à

