ছবি: সংগৃহীত
সোমবার ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েন ছুঁয়েছে নতুন উচ্চতা। দিন শেষে এর দাম দাঁড়ায় ১ লাখ ২২ হাজার ৫৩১ মার্কিন ডলারে—যা এখন পর্যন্ত বিটকয়েনের সর্বোচ্চ মূল্য এবং এই প্রথমবারের মতো এটি ১ লাখ ২০ হাজার ডলারের সীমা অতিক্রম করল। এমন একটি মাইলফলক অর্জনের মাধ্যমে বিটকয়েন আবারও প্রমাণ করল, এটি শুধু একটি ডিজিটাল মুদ্রা নয়, বরং একটি শক্তিশালী আর্থিক সম্পদ।
আজ মঙ্গলবার সকালেই অবশ্য দাম কিছুটা কমে এসেছে, তবে সামগ্রিক প্রবণতা বলছে বিটকয়েন এখনও রয়েছে এক শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী ধারায়। গত ২৪ ঘণ্টায় দাম বেড়েছে ৩ শতাংশ, সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ১০ শতাংশের বেশি। এক মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। ৬ মাসে বেড়েছে ২৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গত এক বছরে এর মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে ১০৬ শতাংশ, অর্থাৎ দ্বিগুণ। বিগত পাঁচ বছরে বিটকয়েনের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে ১ হাজার ৬৯০ শতাংশ—যা এক কথায় অভাবনীয়।
মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি বাজারমূলধনেও নতুন রেকর্ড গড়েছে বিটকয়েন। সোমবার এর বাজারমূলধন দাঁড়ায় ২ লাখ ৪১ হাজার কোটি মার্কিন ডলার, যা অ্যামাজন ও গুগলের মতো প্রযুক্তি জায়ান্টকেও ছাড়িয়ে গেছে। বর্তমানে এটি বিশ্বের পঞ্চম সর্বোচ্চ মূল্যবান সম্পদ।
লেনদেনের দিক থেকেও বাজারে ব্যাপক গতি লক্ষ্য করা গেছে। শুধুমাত্র সোমবারই বিটকয়েনের লেনদেন বেড়েছে ৩৩ দশমিক ১২ শতাংশ, যা সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশি একদিনের লেনদেন বৃদ্ধির একটি উদাহরণ। বিটকয়েনের পাশাপাশি অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সির দামও বেড়েছে। বাজারের দ্বিতীয় বৃহত্তম ডিজিটাল মুদ্রা ইথেরিয়ামের দাম বেড়েছে ৩ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৫ মার্কিন ডলারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ধারাবাহিক সক্রিয়তা। এক্সচেঞ্জগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ বিটকয়েন তুলে নিচ্ছে বড় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানগুলো, যার ফলে বাজারে সরবরাহ কমছে এবং চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই দাম ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে।
রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোর প্রভাবও বিটকয়েনের বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্চে এক নির্বাহী আদেশে ‘ক্রিপ্টোকারেন্সির কৌশলগত রিজার্ভ’ গঠনের নির্দেশ দেন। এ ছাড়া তিনি ন

