ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের প্রযুক্তি খাতে এক যুগান্তকারী মাইলফলকে পৌঁছে ইতিহাস গড়েছে এনভিডিয়া (NVIDIA)। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি প্রথমবারের মতো ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজারমূল্যের কোম্পানি হিসেবে বিশ্বের শীর্ষস্থান দখল করেছে। এর আগে কোনো পাবলিক কোম্পানিই এ উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি।
বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়ার পেছনে রয়েছে কোম্পানিটির জিপিইউ (GPU)-ভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির দ্রুত সম্প্রসারণ। বর্তমানে AI চিপ ও হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিংয়ের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এনভিডিয়ার গুরুত্ব এবং বাজারমূল্য—দুটোই আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে।
সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, এনভিডিয়ার শেয়ারের দাম দুই দশমিক চার শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৪ ডলারে, যা কোম্পানির ইতিহাসে নতুন উচ্চতায় পৌঁছার রেকর্ড তৈরি করেছে।
এক বছরে তিনগুণ মূল্য বৃদ্ধি
এনভিডিয়া ২০২৩ সালের জুন মাসে প্রথমবারের মতো ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্যে পৌঁছায়। এর এক বছর না যেতেই সেই মূল্য তিনগুণ বেড়ে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, অ্যাপল ও মাইক্রোসফটের মত জায়ান্ট কোম্পানির শেয়ারের গতি তুলনায় ধীর হলেও, এনভিডিয়ার উত্থান অনেক বেশি দ্রুত ও বিস্ময়কর।
বিশ্বের শীর্ষ তিনটি পাবলিক কোম্পানির মধ্যে এখন এনভিডিয়া শীর্ষে, দ্বিতীয় স্থানে আছে মাইক্রোসফট যার বাজারমূল্য প্রায় ৩.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলার এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে অ্যাপল, যার বাজারমূল্য ৩.৬ ট্রিলিয়ন ডলার।
চিপ ও AI প্রযুক্তির একচ্ছত্র আধিপত্য
বিশ্বজুড়ে AI প্রযুক্তির বিস্তারের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এনভিডিয়ার ‘এআই-চিপস’, যা মেশিন লার্নিং, জেনারেটিভ এআই, অটোনোমাস ড্রাইভিং, রোবোটিকস থেকে শুরু করে ডেটা সেন্টার, গেমিং ও হেলথ টেকনোলজি—সবখানেই অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এনভিডিয়ার GPU চিপ ‘H100’ এবং নতুন ‘Blackwell’ আর্কিটেকচার বাজারে বিপ্লব এনেছে। বড় বড় টেক কোম্পানি যেমন—মেটা, গুগল, অ্যামাজন, মাইক্রোসফট নিজেদের AI মডেল চালাতে এনভিডিয়ার চিপের উপর নির্ভর করছে।
বাণিজ্যনীতি ও বাজারের ঘুরে দাঁড়ানো
২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে তৈরি হওয়া

