ছবি: সংগৃহীত
বহুল আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘ধামাকা শপিং’-এর চেয়ারম্যান ডা. মুজতবা আলী (এম. আলী)-কে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (৭ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ভাটারা থানার নন-প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোস্তফা হোসেন আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, শনিবার (৬ জুলাই) রাত সোয়া ৮টার দিকে প্রতারণার শিকার কয়েকজন ভুক্তভোগী ধামাকা শপিংয়ের চেয়ারম্যান মুজতবা আলীকে আটকের পর ভাটারা থানায় সোপর্দ করেন। এরপর ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হয়।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সিডিএমএস (ক্রাইম ডেটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) পর্যালোচনায় দেখা গেছে, তার বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুর জেলায় চেক জালিয়াতির মামলায় ছয় মাসের সাজার তথ্য রয়েছে। একইসঙ্গে আরও একাধিক মামলার তথ্যও পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ায় থানা এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন বলে পুলিশের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত চার-পাঁচ বছর ধরে ধামাকা শপিংয়ের বিরুদ্ধে অনলাইন কেনাকাটার আড়ালে প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। গ্রাহক ও পণ্য সরবরাহকারীরা অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানটি কয়েকশ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। পণ্য সরবরাহ না করে দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা করার অভিযোগে গ্রাহকরা একাধিক মামলা দায়ের করেন মুজতবা আলীসহ কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।
এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ২৬ জুন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মানি লন্ডারিং এবং গ্রাহকের ১১৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ধামাকা শপিংয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা প্রায় ৬২ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের আদেশে এসব সম্পত্তি জব্দ করা হয়।
সিআইডি বলেছে, প্রতিষ্ঠানটি পরিকল্পিতভাবে পণ্য সরবরাহ না করে গ্à

