ছবি: সংগৃহীত
ঐতিহাসিক এশিয়ান কাপের টিকিট নিশ্চিত করে দেশে ফিরলেন ঋতুপর্ণারা, বাফুফের আয়োজনে গর্বিত সংবর্ধনা
মিয়ানমার থেকে ব্যাংকক হয়ে ঢাকায় ফিরেছে ইতিহাস গড়া বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। উইমেনস এশিয়ান কাপের বাছাই পর্ব শেষে রোববার (৭ জুলাই) মধ্যরাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রাখে দলটি। এরপর দীর্ঘ যাত্রার ক্লান্তি ভুলে তারা অংশ নেয় বাফুফের আয়োজিত মধ্যরাতের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে।
রাত ২টা ২৯ মিনিটে খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তারা নিয়ে টিম বাস হাতিরঝিলের উদ্দেশে রওনা দেয়। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে রাত প্রায় ৩টায় শুরু হয় সেই বহুল প্রত্যাশিত সংবর্ধনা। আলো ঝলমলে মঞ্চে যখন দলের সদস্যরা উঠছেন, তখন চোখেমুখে ধরা পড়ছে ক্লান্তি; তবে সেটিকে ছাপিয়ে ছিল বিজয়ের উচ্ছ্বাস ও গর্ব।
সোনালী বিজয়ের সাক্ষ্য বহনকারী ‘কোয়ালিফাইড’ লেখা একটি বিশাল বোর্ড তাদের অভ্যর্থনার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছিল মঞ্চে। ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়ার পর বাজতে থাকে রক মিউজিক, উড়তে থাকে রঙিন কনফেত্তি। এরপর গর্জে ওঠে নজরুলের বিদ্রোহী গান “মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম…”, আর মেয়েরা তাকিয়ে থাকে আবেগভরা চোখে।
সংবর্ধনায় সাবেক তারকা গোলরক্ষক আমিনুল হক বলেন, “এটাই বাংলাদেশ ফুটবলের উন্মাদনা। মানুষ যে ফুটবলকে কতটা ভালোবাসে, এই আয়োজন তারই প্রমাণ।” তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, মেয়েরা শুধু এশিয়ান কাপেই নয়, বিশ্বকাপ ও অলিম্পিকেও বাংলাদেশের পতাকা উড়াবে।
তারকা ফরোয়ার্ড ঋতুপর্ণা চাকমার কণ্ঠেও ছিল আত্মবিশ্বাস আর সংকল্পের ঝলক, “আমরা জানি কীভাবে প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করতে হয়। আপনারা আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখুন, আমরা আপনাদের নিরাশ করব না। বাংলাদেশকে এশিয়া নয়, বিশ্বমঞ্চে নিয়ে যেতে চাই।”
অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তিও একই প্রত্যয়ে বলেন, “এই মুহূর্ত আমাদের জন্য ভোলার নয়। শুধু দক্ষিণ এশিয়া নয়, আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে দেখতে চাই।”
দলের কোচ পিটার জেমস বাটলার অল্প কথায় মেয়েদের প্রশংসা করেন এবং বলেন, “গত কয়েক সপ্তাহ অনেক কঠিন ছিল, কিন্তু এই মেয়েরা অসম্ভব পরিশ্রম করেছে। ওদের ছাড়া আজ আমরা এখানে থাকতে পারতাম না।”
অনুষ্ঠানে সংস্কৃতà¦

