ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে চলছে পাঁচ দিনব্যাপী ‘পাহাড়ি ফল মেলা’। ‘পাহাড়ি ফলের ঘ্রাণ, বৈচিত্র্যময় প্রাণ’ স্লোগানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত এই মেলা শুরু হয়েছে গত ১ জুলাই থেকে, যা চলবে শনিবার (৬ জুলাই) পর্যন্ত।
মেলায় দর্শনার্থীদের চোখে পড়ে যায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের স্টল, যেখানে স্থান পেয়েছে ‘ব্রুনাই কিং’ নামের আড়াই কেজি ওজনের এক বিশালাকৃতি আম। এই আম দেখে বিস্মিত রফিকুল ইসলাম স্ত্রীকে বলেন, “দেখো কত বড় আম!” স্টলের সহকারী বাসিংমং জানান, এই আমটি ৩০০-৪০০ টাকায় বিক্রি হয়।
স্টলে আরও সাজানো রয়েছে ‘কাটিমন’, ‘বারি ০৪’, ‘কিউজাই’, ‘চেংমাই’সহ নানা জাতের আম। এর মধ্যে ‘ব্রুনাই কিং’ ও ‘চেংমাই’ প্রজাতির আম দর্শনার্থীদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
শুধু আম নয়, মেলায় পাওয়া যাচ্ছে পাহাড়ি লংগান, আনারস, রাঙগুই ও চিয়াংমাই আম, লাল ড্রাগন ফল, বড় লটকন, পাকা পেঁপে, কাউফল, পেয়ারা, কাঁঠালসহ বহু রসালো ফল। এছাড়া বিক্রি হচ্ছে বিন্নি চাল, জুমের চাল, বাঁশের কোরল, মিষ্টিকুমড়া, পাহাড়ি কাজুবাদাম, আচার, মরিচ, মধু, চিংড়ির বালাচাও, শুকনা রোজেলা, পাহাড়ি নারকেল, তেজপাতা ইত্যাদি।
বিক্রেতারা জানান, পাহাড়ি অঞ্চলের এসব ফল ও কৃষিপণ্য সম্পূর্ণ অর্গানিক পদ্ধতিতে চাষ করা হয়, যেখানে কোনো রাসায়নিক সার, অ্যান্টিবায়োটিক বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। তাই এসব ফল অত্যন্ত সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যসম্মত।
মেলায় ঘুরতে আসা অভিনেতা এহসানুর রহমান বলেন, “প্রতি বছরই এখানে আসি। এখানে অথেনটিক পণ্য পাওয়া যায় বলে কিছু না কিছু কিনেই ফিরি।”
তবে মেলায় বিক্রি নিয়ে কিছুটা হতাশাও রয়েছে। অনুমা বনরুপা ফল বাজারের সুমন চাকমা বলেন, “গতবার প্রতিদিন এক লাখ টাকা বিক্রি করলেও এবার চার দিনে মাত্র দুই লাখ টাকা বিক্রি হয়েছে।”
রাঙামাটির ‘দিগলীবাক কৃষিপণ্য স্টোরে’র উদ্যোক্তা রূপা মোহন চাকমা জানান, “আমরা কিছু নিজেরা চাষ করেছি, কিছু কিনে এনেছি। তবে বিক্রি খুব ভালো হচ্ছে না। শেষ দুই দিনে একটু আশা করছি।”
মেলায় অংশ নিয়েছে রেনেসাঁ চাকমা নামের একটি প্রতিষ্ঠান, যারা ফল না থাকলেও হেয়ারপ্যাক, নারিকেল তেল, স্লিমিং সিডসসহ আয়ুর্বেদিক ও প্রাকৃতিক পণ্যের প্রদর্শনী করছে।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলা এই মেলায় পার্বত্য চটà

