ছবি: সংগৃহীত
প্রধান উপদেষ্টার হাতে টাস্কফোর্সের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র হস্তান্তর
বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বিকাশে ‘জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর টাস্কফোর্স’-এর ২৩টি সুপারিশ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই খাত বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত হওয়া উচিত বলে মনে করছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।
গত মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সুপারিশপত্র তুলে দেন টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক আশিক চৌধুরী। বৃহস্পতিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন তিনি।
বিডা চেয়ারম্যান বলেন, “টাস্কফোর্সের সুপারিশগুলো বাস্তবায়িত হলে কয়েকশ মিলিয়ন ডলার নয়, বরং বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ আসা উচিত। তবে এর জন্য প্রয়োজন একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, যা তৈরি করতে হবে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়।”
বর্তমানে বিশ্বে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বাজার ৬০০ বিলিয়ন ডলার হলেও বাংলাদেশ এই খাত থেকে বছরে আয় করছে মাত্র ৬ মিলিয়ন ডলার। আশিক চৌধুরী বলেন, “আমরা যদি পরিবেশ তৈরি করতে না পারি, তাহলে আগামী পাঁচ বছর পরেও এই ৬ মিলিয়ন ডলারেই আটকে থাকব।”
টাস্কফোর্সের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে ২৩টি সুপারিশ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৯টি দক্ষতা উন্নয়ন, ৭টি বৈশ্বিক সংযুক্তি এবং ৭টি নীতিগত সংস্কারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। প্রতিটি সুপারিশের সঙ্গে নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয় বা সরকারি সংস্থার দায়িত্ব এবং সময়সীমাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয় এখন এই টাস্কফোর্সের সুপারিশ বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেবে। বিডা চেয়ারম্যান জানান, “আমরা পেছন থেকে সহযোগিতা করব, তবে এখন বল প্রধান উপদেষ্টার কোর্টে।”
সেমিকন্ডাক্টর খাতে কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই খাত হাই-স্কিল্ড হওয়ায় প্রতি বিলিয়ন ডলারে গার্মেন্টসের তুলনায় কর্মসংস্থান কম হবে, তবে ভ্যালু অ্যাড বেশি হবে। এই খাত আমাদের মেধাবী তরুণদের দেশে ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে।”
টাস্কফোর্সের সদস্য, বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইà¦

