ছবি: সংগৃহীত
৩৬ দিনেই গুঁড়িয়ে গেল ১৫ বছরের শাসন, বিদায় নিলেন শেখ হাসিনা
বাংলাদেশের ইতিহাসে জুলাই মাস এবার এক নতুন পরিচয়ে আবির্ভূত হয়েছে—রক্তাক্ত প্রতিরোধ, গণআন্দোলন, দমন-পীড়ন এবং এক দশকের পুরনো দাবির চূড়ান্ত বিস্ফোরণ। চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলন একসময় পরিণত হয় সরকার পতনের দাবিতে, যা শেষ পর্যন্ত গড়িয়ে যায় ৫ আগস্টে শেখ হাসিনার পদত্যাগের মাধ্যমে। আন্দোলনকারীদের ভাষায়, ৩১ জুলাইয়ের পরে দিন গণনা থেমে যায়নি—৫ আগস্ট হয়ে ওঠে ‘৩৬ জুলাই’।
আন্দোলনকারীদের অন্যতম ব্যানার ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ জানিয়েছিল, শেখ হাসিনার পতন ছাড়া আন্দোলনের মাস শেষ হবে না। সেই দাবির পেছনে প্রবল জনসম্পৃক্ততা, নির্ভীক নেতৃত্ব আর ইতিহাসের দীর্ঘ লড়াই।
ছাত্র রাজনীতির মঞ্চে বহু আগেই কোটা সংস্কারের দাবি নিয়ে আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ২০১৩ সালের ১১ জুলাই। এরপর ২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীক সংঘর্ষ এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনে নূরুল হক নূর, আখতার হোসেন, রাশেদ খানদের নেতৃত্বে ছাত্ররা পেয়েছিল বিস্তৃত পরিচিতি।
২০২৪ সালের ৫ জুন হাই কোর্টের রায়ে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহাল অবৈধ ঘোষণা করে পরিপত্র বাতিল হলে—তাতে রাস্তায় নামে নতুন প্রজন্ম। নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব, আবু বাকের মজুমদারসহ একদল তরুণ নেতৃত্ব নেন এই আন্দোলনের। শেখ হাসিনার একটি বিতর্কিত মন্তব্য (“রাজাকারের নাতি চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধার নাতি পাবে না?”) আন্দোলনে আগুন ঢেলে দেয়।
১৪৭ জন নিহত, সহস্রাধিক আহত আর হাজারের বেশি গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে পেরিয়ে যায় মাস। আন্দোলনে যোগ দেয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, মাদ্রাসা, শ্রমিক, এমনকি চাকরিজীবীরা। পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলি, হামলা, নির্যাতনের বিরুদ্ধে শহরের দেয়ালে দেয়ালে আঁকা হয় প্রতিবাদের গ্রাফিতি।
৫ আগস্ট সকালে ঢাকামুখী ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে লাখো মানুষের ঢল নামে রাজধানীতে। পুলিশ আর সরকারি বাহিà¦

