ছবি: সংগৃহীত
এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনেই চরম দুর্ভোগে পড়েছেন উত্তরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের মানবিক বিভাগের দুই শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত ও সাজ্জাদ হোসেন। কলেজের গাফিলতির কারণে তারা পরীক্ষার প্রবেশপত্র না পেয়ে অংশ নিতে পারেননি বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায়।
এই অনিয়মের জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। কলেজের সামনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত বলেন, “আমার এখন পরীক্ষার হলে থাকার কথা, অথচ আমি দাঁড়িয়ে আছি কলেজের গেটের সামনে। কলেজের ভুলে আমরা কেন ভুগব? তারা বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে আমাদের পরীক্ষার সুযোগ করে দিক—এটাই স্বাভাবিক দাবি।”
আরেক শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি নিয়মিত ছাত্র, ক্লাস ক্যাপ্টেন, ক্লাস টপার। সকালে ৯টা পর্যন্ত আমাদের প্রবেশপত্র দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিল কলেজ। আমরা ১০টা পর্যন্ত কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে ছিলাম, অথচ কেউ যোগাযোগ করেনি। আরও ৩-৪ জনের সমস্যা ঠিক করা হলেও আমাদেরটা ঠিক করা হয়নি। কেন?”
সাজ্জাদ অভিযোগ করে বলেন, “আমরা তো ফরম ফিলআপের সময় টাকা দিয়েছি। তাহলে আমাদের তথ্য ঠিকভাবে কেন সংরক্ষণ করা হলো না? অধ্যক্ষ পর্যন্ত আমাদের খোঁজ নিতে আসেননি। ইচ্ছা করলেই আমাদের আলাদা খাতা দিয়ে আজ পরীক্ষা নেওয়া যেত।”
ঘটনার খবর পেয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে আসেন উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আমরা এ ঘটনায় মর্মাহত। কেন্দ্র হিসেবে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদের। যদি অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, তাহলে আমরা আইনি দিক থেকেও বিষয়টি দেখব।”
অভিযুক্ত কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইভানা তালুকদার সাংবাদিকদের ফোন ধরেননি।
তবে, প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সভাপতি ও ডিএনসিসি অঞ্চল-১০ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, “বিষয়টি আমরা বুধবার রাতেই জেনেছি। শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণে দায়িত্বে থাকা শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে গাফিলতির প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা à¦

