ছবি: সংগৃহীত
নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ (এনসিপি) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিবন্ধনের আবেদন জমা দিয়ে প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা’ চেয়েছে। দলটি শাপলাকে তাদের প্রথম পছন্দ বললেও, এ প্রতীক ঘিরে দেখা দিয়েছে নতুন বিতর্ক ও প্রশ্ন। কারণ, শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক—যা নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ব্যবহারের আইনগত বৈধতা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
রোববার নির্বাচন কমিশনে এনসিপির নিবন্ধন আবেদন জমা দেয়ার পর দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন জানান, তারা তিনটি প্রতীক চেয়ে আবেদন করেছেন—শাপলা, কলম ও মোবাইল। এর মধ্যে তাদের প্রথম পছন্দ শাপলা।
শাপলা প্রতীককে ঘিরে ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনসিপির পক্ষ থেকে প্রচার শুরু হয়েছে। তবে বিষয়টি ঘিরে শুরু হয়েছে সমালোচনাও।
নাগরিক ঐক্যকেও দেওয়া হয়নি শাপলা
এর আগে মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন নাগরিক ঐক্যও শাপলা প্রতীক চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছিল। তবে গত বছর কমিশন দলটিকে ‘কেটলি’ প্রতীক বরাদ্দ দেয়। পরে গত সপ্তাহে নাগরিক ঐক্য কেটলির পরিবর্তে শাপলা বা দোয়েল পাখি প্রতীক চেয়ে আবার আবেদন করলেও কমিশন তা প্রত্যাখ্যান করে জানায়, এগুলো জাতীয় প্রতীক হওয়ায় বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়।
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “শাপলা জাতীয় প্রতীক—এই যুক্তিতে আমাদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এনসিপিকেও দেওয়া সম্ভব নয়। যদি দেওয়া হয়, তাহলে আমরা প্রশ্ন তুলব।”
শাপলা প্রতীক নিয়ে এনসিপির যুক্তি
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “শাপলা আমাদের প্রথম পছন্দ। এটা জনগণের মার্কা, গণঅভ্যুত্থানের প্রতীক, গ্রামীণ জীবনের প্রতিচ্ছবি। আইনগতভাবে আমরা কোনো বাধা দেখি না।”
তিনি আরও যুক্তি দেন, “জাতীয় ফল কাঁঠাল এক দলের প্রতীক হতে পারে, তাহলে জাতীয় ফুল শাপলা কেন নয়? ধানের শীষ, তারা—এগুলিও জাতীয় প্রতীকের অংশ, কিন্তু সেগুলোও তো ব্যবহৃত হচ্ছে।”
দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, “বিদ্যমান তালিকায় শাপলা নেই। তাই দ্রুত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।”
আইন কী বলে?
নির্বাচন কমিশনের ২০০৮ সালের সংশোধিত নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় ৬à

