ডোনাল্ড ট্রাম্প । ছবি: সংগৃহীত
যে পথকে এতদিন এড়িয়ে চলার কথা বলেছিলেন, অবশেষে সেই পথেই পা বাড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার মধ্যরাতে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়ে তিনি যুক্ত হয়ে পড়লেন ইরান-ইসরায়েলের চলমান উত্তেজনায়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন সংঘাতের সূচনা হলো—যার শুরু ট্রাম্প করলেও শেষ কোথায় গড়াবে, তা কেউই জানে না। অনেকেই মনে করছেন, ট্রাম্প তার দুই মেয়াদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ঝুঁকির পথে হাঁটলেন। এর পরিণতি হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য ও গোটা বিশ্বের জন্য বিপজ্জনক।
হামলার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তেহরান আলোচনায় না এলে আরও হামলা চালানো হবে। তবে প্রশ্ন উঠেছে—ইসরায়েলি হামলায় যেসব সিদ্ধান্ত পাল্টায়নি, মার্কিন হামলায় তা কতটা বদলাবে?
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান কেবল আলোচনায় বসবে না, বরং পাল্টা পদক্ষেপ নিতে পারে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানো কিংবা বিশ্বের নানা প্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে সংঘাত উসকে দেওয়ার মতো নানা কৌশল রয়েছে তাদের হাতে।
তেহরান চাইলে ইসরায়েলেও আরও ভয়াবহ হামলা চালাতে পারে। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প আটকে পড়তে পারেন আরেকটি ‘অন্তহীন যুদ্ধ’-এর জালে—যেমনটি ঘটেছিল ইরাক ও আফগানিস্তানে।
‘অন্তহীন যুদ্ধের’ আশঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সাবেক কূটনীতিক অ্যারন ডেভিড মিলার মন্তব্য করেন, “ইরান পাল্টা জবাব দিলে এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী ও আরও বিস্তৃত রূপ নিতে পারে।”
মিলারের মতে, ইরান হয়তো দুর্বল, কিন্তু তাদের জবাব দেওয়ার বহু কৌশল রয়েছে, যেগুলো সামরিক কাঠামোর বাইরেও হতে পারে। এতে কর

