ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে যদি কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক সংস্কার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়, তবে আসন্ন রমজানের আগেই, অর্থাৎ ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
এই ঘোষণা আসে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর। লন্ডনের অভিজাত পার্ক লেইনের ডরচেস্টার হোটেলে স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ৯টায় (বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা) শুরু হওয়া এই বৈঠক চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা।
বৈঠক শেষে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে যৌথ বিবৃতি পাঠ করেন। তিনি বলেন, “জনাব তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টার কাছে আগামি বছরের রমজানের আগেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজনের অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও একই মত পোষণ করেন।”
প্রসঙ্গত, এর আগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এপ্রিলের প্রথমার্ধে নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সংলাপ, সংবিধান সম্মত সময়সীমা, এবং রোজার সময় বিবেচনায় এনে ফেব্রুয়ারিতে ভোট আয়োজনের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানা গেছে।
বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে একটি ৫ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়, যার মধ্যে ছিল— নির্বাচনের আগে সব রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক প্রশাসনের গঠন, ইভিএম বাতিল এবং সেনা মোতায়েনসহ একাধিক দাবিদাওয়া। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস জানান, তিনি এই প্রস্তাবনাগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাতে চান।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এ বৈঠকটি দেশের রাজনীতিতে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কারণ ২০২৪ সালের নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা, আন্তর্জাতিক চাপ এবং জনগণের উদ্বেগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সমঝোতার যে চাহিদা তৈরি হয়েছিল, এই সংলাপ হয়তো তারই শ

