ছবি: সংগৃহীত
ভারতের গুজরাট রাজ্যের আহমেদাবাদে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় অন্তত ২০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ ২৪২ আরোহী নিয়ে আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই শহরের মেঘানিনগর এলাকার একটি মেডিকেল হোস্টেল ভবনে বিধ্বস্ত হয়।
উড়োজাহাজটি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। এতে ছিলেন ২৩২ জন যাত্রী ও ১০ জন ক্রু সদস্য। যাত্রীদের মধ্যে ৫৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক, একজন কানাডার ও সাতজন পর্তুগালের ছিলেন; বাকিরা সবাই ভারতীয়।
দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে মেডিকেল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীও রয়েছেন। যে ভবনে বিমানটি আছড়ে পড়ে, সেটি বিজে মেডিক্যাল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হোস্টেল বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভবনটিতে প্রায় ৫০ জন ইন্টার্ন থাকতেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এখন পর্যন্ত অন্তত পাঁচজন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
দুর্ঘটনার পরপরই দমকল বাহিনী ও উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহমেদাবাদ পুলিশ কমিশনার জিএস মালিক জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত ২০৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সবার পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এই হৃদয়বিদারক ঘটনার মধ্যেই অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছেন একজন যাত্রী। ব্রিটিশ-ভারতীয় নাগরিক বিশ্বাস কুমার রমেশ, যিনি ১১এ আসনে বসা ছিলেন, তাকে ঘটনাস্থলের কাছে একটি হাসপাতালে জীবিত পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনার পর ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে রমেশকে আহত অবস্থায় হেঁটে যেতে দেখা যায়। তার শরীরে রক্ত ও ধুলোর দাগ ছিল এবং হাঁটতে অসুবিধা হচ্ছিল। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এদিকে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বিমান চলাচল বিশ্লেষকরা ভিডিও ফুটেজ ও তথ্য বিশ্লেষণ করে দুটি সম্ভাবনার কথা বলেছেন—একাধিক পাখির ধাক্কা অথবা যান্ত্রিক ত্রুটি। একজন বিশেষজ্ঞ বলেন, উড়ার পর উড়োজাহাজের ফ্ল্যাপ যথাযথভাবে কাজ না করায় এটি দ্রুত উচ্চতা হারিয়ে ফেলে। অন্যরা বলছেন, পাখির আঘাতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার মডেলটি এর আগে প্রযুকà

