ছবি: সংগৃহীত
বরগুনায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে একদিনেই প্রাণ হারিয়েছেন দুইজন। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার বাসিন্দা চান মিয়া (৭৫) এবং বরগুনা পৌরসভার থানাপাড়া এলাকার বাসিন্দা গোসাই দাস (৭০)। বুধবার দুপুরে চান মিয়া এবং সন্ধ্যার পর গোসাই দাস বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে জেলায় চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১২ জনে।
চান মিয়ার মেয়ে কুলসুম জানান, তিন দিন আগে তাঁর বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক স্যালাইন দেওয়ার পাশাপাশি বুধবার সকালে রক্ত পরীক্ষা করেন, যাতে প্লাটিলেট ৬৪ হাজার পাওয়া যায়। দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়।
অপরদিকে, গোসাই দাসকে গত রোববার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। অবস্থার সামান্য উন্নতির পর বুধবার সকালে তাঁকে প্লাটিলেট পরীক্ষার জন্য একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে বাসায় খাবার খাওয়ার পর দুপুরে তাঁকে আবার হাসপাতালে আনা হয়। তখন হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে অক্সিজেন দেওয়ার পরও সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা যান।
গোসাই দাসের ছেলে সঞ্জয় চন্দ্র দাস জানান, দুপুর পর্যন্ত তাঁর বাবার শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক ছিল। হাসপাতালে ফেরার পর হঠাৎ অবস্থার অবনতি হয়।
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. তাজকিয়া সিদ্দিকাহ বলেন, চান মিয়ার শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু স্বজনরা তাঁকে নিয়ে যাননি, ফলে দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়। গোসাই দাসও সন্ধ্যা পর্যন্ত স্থিতিশীল ছিলেন, পরে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় এবং মারা যান।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বরগুনা জেলায় নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৭৯ জন। এর মধ্যে ৬৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বরগুনা সদরেই আক্রান্তের সংখ্যা ৭৫। বর্তমানে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৭২ জন রোগী, যাদের মধ্যে ৩১ জন শিশু।
জানুয়ারি থেকে ১১ জুন পর্যন্ত বরগুনায় ডেঙ্গুতে আক্রাà

