ছবি : সংগৃহীত
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে মাতল সিঙ্গাপুর। দ্রুত মাঠ ছাড়ল বিজয়ী দল। বিপরীতে ভিন্ন চিত্র ছিল বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মাঝে—হতাশা ও নীরবতায় তারা যেন থমকে গিয়েছিল। কেউ বসে, কেউ মুখ ঢেকে শুয়ে ছিলেন মাঠেই। শেষে গ্যালারির কাছে এসে সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে ফিরলেন টিম হোটেলে। কিন্তু সেই রাতটা কেটেছে গুমোট নীরবতায়।
ঘরের মাঠে ২-১ গোলের পরাজয় সহজে নিতে পারেননি জাতীয় দলের ফুটবলাররা। বিষণ্ণতা নিয়ে টিম হোটেলে রাত কাটানোর কথা জানালেন বাংলাদেশ দলের সহকারী কোচ হাসান আল মামুন। ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়দের মনোবল ধরে রাখতে কোচ হাভিয়ের কাবরেরা টিম মিটিংয়ে দিয়েছেন উৎসাহব্যঞ্জক বার্তা। বিশেষ করে সামনে হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচকে কেন্দ্র করে দিয়েছেন মানসিক প্রস্তুতির দিকনির্দেশনা।
“ম্যাচের আগে যে প্রাণবন্ত পরিবেশ ছিল, সেটার ছিটেফোঁটাও ছিল না রাতে। প্রত্যাশা ছিল অনেক, কিন্তু ফল হতাশাজনক। ছেলেরা খুব কষ্ট পেয়েছে,” বলেন হাসান আল মামুন। “কোচ টিম মিটিংয়ে ছেলেদের সাহস জুগিয়েছেন। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি হতাশা থেকে বের করে আনতে, যাতে হংকং ম্যাচের আগে তারা মন ও শরীর দুটোতেই তৈরি থাকে।”
সবচেয়ে বেশি হতাশ ছিলেন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। লেস্টার সিটির এই খেলোয়াড়ের জন্য এটি ছিল এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বড় সুযোগ। শিলংয়ে ভারতের বিপক্ষে অভিষেকের পর ভুটানের বিরুদ্ধে গোল করে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। হারের পরও পেশাদার মনোভাব ধরে রেখেছেন এই ইংল্যান্ডপ্রবাসী, বললেন আল মামুন, “হামজা ভীষণ বিনয়ী, সবসময় হাসিমুখে থাকে। ম্যাচটি নিয়ে ওর প্রত্যাশা ছিল অনেক। তবে সে ভেঙে পড়ার মতো ছেলে নয়। হংকংয়ের বিপক্ষে সে আরও দৃঢ়ভাবে ফিরবে।”
সিঙ্গাপুর ম্যাচ দিয়েই বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক হয়েছে দুই তরুণ খেলোয়াড় শোমিত সোম ও ফাহামিদুল ইসলামের। কানাডা ও ইতালির ক্লাব ফুটবলে খেলা এই দুই মিডফিল্ডার ও ফরোয়ার্ডও ছিলেন জয় নিয়ে আশাবাদী। কিন্তু শেষ বাঁশি বাজার পর তারাও মাঠ ছাড়লেন হতাশা বুকে নিয়ে।
“দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও ছেলেরা লড়াই করেছে। রাকিব গোল দেওয়ার পর আমরা আশাবাদী ছিলাম। শোমà

