ছবি : সংগৃহীত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জুনের শুরুতেই জমজমাট হয়ে উঠেছিল আমের বাজার। তবে কোরবানির ঈদের প্রস্তুতি ও টানা ছুটির প্রভাব পড়েছে এ বাজারে। ফলে আমের চাহিদা কমে গিয়ে প্রতি মণে দাম ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত কমে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
ঈদ উপলক্ষে দেশের সব কুরিয়ার সার্ভিস ৫ জুন থেকে ৮ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকায় অনলাইনভিত্তিক আম বিপণন কার্যক্রম প্রায় থমকে গেছে। ৪ জুন থেকেই বন্ধ হয়ে যায় আম বুকিং। ফলে অনলাইনের বড় একটি বাজার কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
দেশের অন্যতম বৃহৎ আম হাট কানসাট বাজারে ৪ জুন সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আগের দিনের তুলনায় অনেকটাই কম দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন জাতের আম। চাষিরা বলছেন, ছুটির কারণে ক্রেতা নেই; অন্যদিকে গাছের আম পেকে ঝরে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
মো. মোখলেসুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেন, “এ বছর আম পাড়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে গাছে পাকা আম দেখা গেলে চাষিরা তা বাজারে নামাচ্ছেন।”
কানসাট বাজারের ব্যবসায়ী মো. রায়হান আলী জানান, ৩০ মে থেকে বাজারে আম উঠতে শুরু করে। শুরুতে গোপালভোগ আমের মণপ্রতি দাম ছিল ১৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা। ক্ষীরশাপাতি বিক্রি হচ্ছিল ২০০০ টাকার উপরে। ৩ জুন দাম উঠে যায় ২২০০-২৮০০ টাকা পর্যন্ত। তবে ঈদের ছুটি ঘনিয়ে আসতেই ৪ জুন দাম পড়ে যায়। এখন ক্ষীরশাপাতি আম বিক্রি হচ্ছে ১৬০০ থেকে ২৪০০ টাকা মণে, আর ল্যাংড়া আম মিলছে ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকায়।
নাচোল উপজেলার টঘরইল এলাকার চাষি সাত্তার হোসেন বলেন, “৩ জুন গোপালভোগ বিক্রি করেছি ১৬০০ থেকে ২২০০ টাকায়। কিন্তু পরদিনই দাম বলে অর্ধেক। বাজারে কাস্টমার কম, বাজার স্বাভাবিক না হলে আম গাছেই নষ্ট হয়ে যাবে।”
ময়মনসিংহের অনলাইন আম বিক্রেতা রিয়াদ হাসান লিটন বলেন, “২-৩ দিন আগে পর্যন্ত কুরিয়ারে পাঠাতে পেরেছি। এখন কুরিয়ার বন্ধ, তাই আর নতুন অর্ডার নিচ্ছি না।”
কানসাট বাজারের আড়তদার মো. মজিবুর রহমান সরকার জানান, বাইরের বেপারিরা ঈদের ব্যস্ততায় আসছেন না, ফলে বাজারে বিক্রি কমে গেছে এবং তার প্রভাব পড়েছে দামে।
আম উদ্যোক্তা ও শিবগঞ্জের সà¦

