ছবি : সংগৃহীত
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যেই ছিল ভুটানের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের আয়োজন। মাঠের খেলায় সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটিয়েছে হাভিয়ের কাবরেরার দল। ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বুধবার ভুটানকে ২-০ গোলে হারিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই হেডে গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দূরপাল্লার দুর্দান্ত ভলিতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মিডফিল্ডার সোহেল রানা। ফরোয়ার্ডদের নিরব থাকলেও দুই মিডফিল্ডারের গোলে জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ কাবরেরা জানান, দলীয় বোঝাপড়া, খেলার তিনটি বিভাগ—আক্রমণ, মাঝমাঠ ও রক্ষণের শক্তি-দুর্বলতা মূল্যায়ন এবং নতুনদের নিয়ে পরীক্ষা করাই ছিল মূল লক্ষ্য। তার মতে, সবদিক থেকেই সফল হয়েছে বাংলাদেশ। “ম্যাচটা আমাদের প্রত্যাশামতোই হয়েছে। শুরুতে গোল পাওয়ায় আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। মাঝেমধ্যে ছন্দপতন হলেও দ্রুতই ঘুরে দাঁড়িয়েছি। দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ শুরু এবং আরও একটি ক্লিনশিট—সব মিলিয়ে ইতিবাচক ফল,” বলেন কাবরেরা।
ইতালির সেরি ডি-তে খেলা তরুণ ফরোয়ার্ড ফাহামিদুল ইসলামকে বাম উইংয়ে খেলিয়েছেন কোচ। প্রথমবার জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নেমে বেশ ভালোই মানিয়ে নিয়েছেন তিনি। “শুরুর দিকে একটু সময় নিয়েছিল, সেটা স্বাভাবিক। তবে পরে দারুণ খেলেছে। বল পায়ে মনোযোগী ছিল, আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছে। এটা তাকে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচে আরও গেম টাইম এনে দিতে পারে,” বলেন কাবরেরা।
ফাহামিদুল ছাড়াও জাতীয় দলের হয়ে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমেছেন ডিফেন্ডার তাজ উদ্দিন ও ফরোয়ার্ড আল আমিন। সবাইকেই প্রশংসায় ভাসিয়েছেন কাবরেরা। “তাদের পারফরম্যান্স ভালো লেগেছে। তপু বর্মন, সোহেল রানা ও জামাল ভূঁইয়া—এই তিন অধিনায়ক দীর্ঘদিন পর একসাথে খেলেছে, সেটাও দলের জন্য ইতিবাচক ছিল,” জানান কোচ।
এই ম্যাচেই দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো খেলেন হামজা চৌধুরী। গোল করেই নিজের প্রভাব জানান দেন প্রবাসী এই মিডফিল্ডার। কাবরেরার মতে, “হামজার উপস্থিতি দলের খেলায় বড় প্রভাব ফেলেছে।”
বাংলাদেশ এখ

