ছবি : রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)
আইপিএলে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতল কোহলির দল
আইপিএলের ইতিহাসে অবশেষে লেখা হলো নতুন অধ্যায়। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)। মঙ্গলবার আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত অষ্টাদশ আসরের রোমাঞ্চকর ফাইনালে পাঞ্জাব কিংসকে ৬ রানে হারিয়ে শিরোপা জয়ের স্বাদ পেলো দলটি।
প্রতিযোগিতাটির শুরু থেকে একই দলের হয়ে খেলা বিরাট কোহলির জন্য এটি ছিল ১৮তম চেষ্টায় প্রথম শিরোপা। ম্যাচ শেষে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ভারতীয় ব্যাটিং গ্রেট। হাঁটু গেঁড়ে বসে পড়েন মাঠে, ঢেকে রাখেন মুখ, মাথা নিচু করে বসে থাকেন কিছুক্ষণ। পরে মাঠে নেমে প্রিয় বন্ধুকে জড়িয়ে ধরেন বেঙ্গালুরুর সাবেক তারকা এবি ডি ভিলিয়ার্স।
ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বেঙ্গালুরু সংগ্রহ করে ১৯০ রান। দলের হয়ে কেউ ফিফটি না করলেও, পাঁচ ব্যাটসম্যান পেরিয়েছেন ২০ রানের গণ্ডি। সর্বোচ্চ ৪৩ রান আসে কোহলির ব্যাট থেকে। তবে প্রত্যাশিত বড় স্কোর হয়নি—ধারাভাষ্যকার ম্যাথু হেইডেনের মতে, অন্তত ৩০ রান কম ছিল স্কোরবোর্ডে।
তবে সেই চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য রক্ষায় দুর্দান্ত বোলিং করেন বেঙ্গালুরুর বোলাররা। বিশেষ করে আলো ছড়ান অলরাউন্ডার ক্রুনাল পান্ডিয়া। ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট, যার মধ্যে ছিল বিপজ্জনক ইংলিসের উইকেটও। পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি জিতে নেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।
পাঞ্জাব কিংসের ইনিংস থামে ১৮৪ রানে। শেষ ওভারে শাশাঙ্ক সিং একাই তিনটি ছক্কা ও একটি চার মেরে উত্তেজনা ফেরালেও ম্যাচ বাঁচাতে পারেননি। ৩০ বলে ৬১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেও হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
শেষ দিকে দুর্দান্ত বল করেন ভুবনেশ্বর কুমার। ১৭তম ওভারে ৮ রানে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এই অভিজ্ঞ পেসার। পাশাপাশি ইয়াশ দায়াল ও জশ হেইজেলউডের বোলিংয়েও আসে কার্যকর সাপোর্ট। পুরো আসরে ১২ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়ে হেইজেলউড ছিলেন বেঙ্গালুরুর সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।
বেঙ্গালুরুর এই জয়ে আরও এক চমক দেখান নতুন অধিনায়ক রাজাত পাতিদার। বড় কোনো তারকা না হয়েও প্রথম আসরেই দলকে জেতান আইপিএল। যেখানে ব্যর্থ হয়েছেন কোহলি, দ্রাবিড়, কুম্বলে, ডি ভিলিয়ার্স, পিটারসেনের মতো তারকারা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু: ২০ ওভারে ১৯০/৯
(কোহলি ৪৩, পাতিদার ২৬, লিভিংà

