ছবি : সংগৃহীত
জাতীয় অর্থনীতিতে প্রায় ৩০ শতাংশ অবদান রাখা সত্ত্বেও বাংলাদেশের এসএমই (ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প) খাত কাঠামোগত দুর্বলতা, অর্থায়নের সংকট এবং নীতিগত অসঙ্গতির কারণে এখনও তার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারছে না। উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা এই খাতের অগ্রযাত্রায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উদ্যোক্তাদের সংগ্রামের গল্প
তাহেরা তমা নামে এক নারী উদ্যোক্তা সম্পূর্ণ নিজের উদ্যোগে তৈরি করেছেন একটি রপ্তানিমুখী পাটজাত পণ্য ও সামুদ্রিক প্রাণীর ফুসফুস প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠান। সরকারি সহায়তা না পেয়েও তিনি সফল হয়েছেন, তবে তিনি মনে করেন, উপযুক্ত সহায়তা পেলে তার ব্যবসা আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে যেত।
অপর এক উদ্যোক্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “ব্যাংকে গেলেই নানা রকম জটিলতা। বড় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা অসম। ফলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছে।”
এসএমই ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ পেয়ে মাকসুদা খাতুন তার ব্যবসা চালাতে সক্ষম হয়েছেন। তবে সরাসরি অর্থায়ন পাননি বলেই জানিয়েছেন।
প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা প্রকট
এসএমই ফাউন্ডেশন মাত্র ২০০ কোটি টাকার মূলধনের ওপর নির্ভর করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তাদের জন্য বরাদ্দ হয়েছে মাত্র ২০ কোটি টাকা, যা বিশাল এ খাতের জন্য অত্যন্ত অপ্রতুল।
ব্যাংক খাতে এসএমইদের অর্থায়ন পরিস্থিতিও হতাশাজনক। ২০২৩ সালে ব্যাংক ঋণের মাত্র ১৯ শতাংশ এসএমই খাতে গেছে। উদ্যোক্তাদের ৭০ শতাংশই জানিয়েছেন, ব্যাংক ঋণ পাওয়া তাদের জন্য কঠিন।
অবহেলিত সম্ভাবনার খাত
বর্তমানে দেশে প্রায় ৭৮ লাখ এসএমই প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নিয়োজিত। অথচ জিডিপিতে খাতটির অবদান মাত্র ৩০ শতাংশ, যেখানে:
চীনে ৬০%, ভারতে ৪৫%, ভিয়েতনামে ৪০%, কম্বোডিয়ায় ৫৮%, জাপান ও কোরিয়ায় ৬৫-৭০% পর্যন্ত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক নীতি ও অর্থায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের এসএমই

