রাতের আকাশে একের পর এক উজ্জ্বল রেখা দেখা মিলছে—স্টারলিংকের নতুন স্যাটেলাইটের মতোই চীনের নতুন ইন্টারনেট স্যাটেলাইট গুচ্ছ এখন মহাকাশে। ‘গুয়োওয়াং’ ও ‘চিয়ানফান’ নামে দুটি বিশাল প্রকল্পের অধীনে চীন ইতোমধ্যেই একশটির বেশি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে। এই দুই প্রকল্পের লক্ষ্যে রয়েছে ২৮ হাজার স্যাটেলাইট দিয়ে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে একটি পূর্ণাঙ্গ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা।
চীনের এই নতুন মহাকাশ উদ্যোগ মূলত স্টারলিংকের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার পরিকল্পনায় এগোচ্ছে। ‘গুয়োওয়াং’ প্রকল্পটি চীনের অভ্যন্তরীণ টেলিযোগাযোগ ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে, যেখানে ‘চিয়ানফান’—আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ‘স্পেসসেইল’ বা SSSAT—বেশি মনোযোগী আন্তর্জাতিক বাজারের দিকে। ইতোমধ্যে ব্রাজিল, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডসহ ছয়টি দেশে কার্যক্রম শুরু করেছে চিয়ানফান।
স্টারলিংকের মহাকাশে সাত হাজারেরও বেশি স্যাটেলাইট রয়েছে, যেখানে চীনের এই দুটি প্রকল্প এখনও অনেক পিছিয়ে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০২৫ সাল হতে পারে চীনের বাণিজ্যিক মহাকাশ শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘোড়ার সময়। স্মিথসোনিয়ান অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল অবজারভেটরির জ্যোতির্বিজ্ঞানী জোনাথন ম্যাকডুয়েল বলেন, “২০২৩ ও ২০২৪ সাল ছিল স্টারলিংকের। ২০২৫ সাল হবে বাকিদের মাঠে নামার সময়।”
তবে শুরুতেই কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে চীনের স্যাটেলাইট প্রকল্প দুটি। উৎক্ষেপিত স্যাটেলাইটগুলোর মধ্যে বেশ কিছু ত্রুটিপূর্ণ বলে দেখা গেছে। গবেষকদের মতে, চিয়ানফান ইতোমধ্যে উৎক্ষেপণ করেছে ৯০টি স্যাটেলাইট, যার মধ্যে অন্তত ১৩টির অস্বাভাবিক আচরণ দেখা গেছে। অক্টোবর ২০২৪-এর দ্বিতীয় ব্যাচে থাকা ১৮টি স্যাটেলাইটের মধ্যে কেবল ৫টি সঠিক কক্ষপথে পৌঁছেছে।
এ সমস্যা আংশিকভাবে জড়িত স্যাটেলাইট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘জিনস্যাট’-এর সঙ্গে। প্রথমবার গণহারে উৎপাদিত স্যাটেলাইট সরবরাহ করেছে প্রতিষ্ঠানটি, যা প্রযুক্তিগত মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
এছাড়া গুয়োওয়াং ও চিয়ানফান তুলনামূলকভাবে স্টারলিংকà§

