ছবি: সংগৃহীত
দীর্ঘ এক যুগ পর রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল সংক্রান্ত হাই কোর্টের রায় বাতিল করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এর মধ্য দিয়ে দলটির সামনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ উন্মুক্ত হলো।
রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালত জানায়, এখন নির্বাচন কমিশনই সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ও প্রতীক সংক্রান্ত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।
জামায়াতের আইনজীবীরা বলেন, আদালতের এই রায়ে একটি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের সফল অবসান ঘটেছে। দলটির পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট এহসান আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ও মোহাম্মদ শিশির মনির। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন তৌহিদুল ইসলাম।
রায়ের পর ফেসবুকে শুকরিয়া আদায় করে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান নিবন্ধন দ্রুত ফিরিয়ে দিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।
২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ পেয়েছিল জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দলটির নিবন্ধন চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট আবেদন করা হয়।
রিটকারীরা চারটি যুক্তি তুলে ধরেন—জামায়াত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে আস্থাশীল নয়, সাম্প্রদায়িক চরিত্রের অধিকারী, নারী ও অমুসলিমদের শীর্ষ নেতৃত্বে আসা নিষিদ্ধ এবং বিদেশে শাখা থাকা একটি দল। এসব যুক্তিতে ২০১৩ সালে হাই কোর্ট দলটির নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে।
পরবর্তীতে আপিল বিভাগও হাই কোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দেয়নি। এতে একাদশ সংসদ নির্বাচনসহ পরবর্তী কোনো জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি জামায়াত।
আওয়ামী লীগের শাসনামলে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামায়াতের একাধিক শীর্ষ নেতা বিচারের মুখোমুখি হন এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। পরে দলটির প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের মনোগ্রামে ব্যবহৃত হওয়ায় ২০১৭ সালে নির্বাচন কমিশন এটি বাতিল করে।
২০১৮ সালে হাই কোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পà¦

