ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত কাউন্সিলর হিসেবে সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলামকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একাধিক পরিচালক প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আজ বিকেলে বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে তাঁকে বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত করা হতে পারে।
বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তাঁর মনোনয়ন বাতিল করার আগেই আমিনুল ইসলামকে কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন দেয় এনএসসি। গতকাল রাতেই এক অনলাইন বৈঠকে পরিচালকেরা আমিনুলের কাউন্সিলরশিপ অনুমোদন করেন।
বিসিবিতে ক্রীড়া পরিষদ মনোনীত পাঁচজন কাউন্সিলরের মধ্যে দুজন হন পরিচালক। এরই ধারাবাহিকতায় আগের কাউন্সিলর হাবিবুর রহমানকে সরিয়ে আমিনুল ইসলামকে কাউন্সিলর করা হয়েছে। বোর্ড সভায় তাঁকে পরিচালক হিসেবে ঘোষণা করা হবে এবং এরপর সভাপতির পদে নির্বাচিত হওয়ার পথ সুগম হবে।
বিসিবির সভাপতি হওয়ার বিষয়টি নিয়ে কয়েক দিন ধরেই আলোচনা চলছিল আমিনুল ইসলামকে ঘিরে। তবে এতদিন তিনি বিসিবির কোনো কাউন্সিলর না হওয়ায় প্রক্রিয়া এগোয়নি। গতকাল সব গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে এনএসসি তাঁকে মনোনয়ন দেয়।
সম্প্রতি দেশে ফেরা আমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, “বিসিবির যেকোনো দায়িত্ব নিতে আমি প্রস্তুত। তবে দায়িত্বটা দীর্ঘমেয়াদি হলে তা নেওয়ার ব্যাপারে আমি ভাবব।”
গতকাল রাতে অনুষ্ঠিত পরিচালকদের অনলাইন বৈঠকে এনএসসির পক্ষ থেকে ফারুক আহমেদের মনোনয়ন বাতিলের চিঠি গ্রহণ করা হয়। এই রিকুইজিশন মিটিংয়ে ৯ পরিচালক উপস্থিত ছিলেন, যেখানে আকরাম খানও অংশ নেন—যদিও তিনি আগে ফারুকের বিরুদ্ধে অনাস্থার চিঠিতে স্বাক্ষর করেননি।
ঘটনার সূত্রপাত গত পরশু, অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বাসভবনে, যেখানে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন উপদেষ্টা। বৈঠকে তাঁকে পদ ছাড়ার অনুরোধ জানানো হয়, কিন্তু ফারুক তা প্রত্যাখ্যান করেন।
এরপর গতকাল সন্ধ্যায় আট পরিচালক এনএসসিতে চিঠি দিয়ে ফারুকের বিরুদ্ধে অনাস্থা জানান। রাতে এনএসসি আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর মনোনয়ন বাতিল করে।
ফলে আজ বিকেলের বোর্ড সভায় নতুন সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া চূড়ানà

