ছবি: সংগৃহীত
কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে আসায় কুমিল্লায় জমে উঠেছে পশুর হাট। জেলার বিভিন্ন খামারে প্রিয় গরুকে ‘যুবরাজ’, ‘বাহুবলী’, ‘বস’, ‘মেসি’, ‘নেইমার’, ‘নবাব’ ও ‘সুলতান’ নাম দিয়ে বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে। এসব আকর্ষণীয় নাম ক্রেতাদের দৃষ্টি কেড়েছে।
খামারিরা জানিয়েছেন, এসব গরু শুধু বিক্রির জন্য নয়, পরিবারের সদস্যের মতো আদরে-যত্নে বড় করা হয়েছে। ফলে গরুগুলোর সঙ্গে একটি আবেগময় সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। সেই আবেগ থেকেই দেওয়া হয়েছে এমন বিশেষ নাম।
এবার কুমিল্লার খামারগুলোতে মাঝারি আকারের দেশি গরুর চাহিদা বেশি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় খামারিরা। তবে সীমান্ত পথে ভারতীয় গরু অনুপ্রবেশ না ঘটলে স্থানীয় খামারিরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন বলে মনে করেন তারা। সাধারণত কুমিল্লার খামারে দেশি রেড চিটাগং, হোলস্টাইন ফ্রিজিয়ান, জার্সি ও শাহীওয়াল জাতের গরু লালনপালন করা হয়।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা চন্দন কুমার পোদ্দার জানান, এ বছর কোরবানির ঈদে জেলায় পশুর চাহিদা রয়েছে দুই লাখ ৩৭ হাজার ৫৮৬টি। আর প্রস্তুত রয়েছে দুই লাখ ৬০ হাজার ৭৫২টি কোরবানিযোগ্য পশু। অর্থাৎ ২৩ হাজারের বেশি পশুর উদ্বৃত্ত রয়েছে কুমিল্লায়।
জেলার বিভিন্ন খামার ঘুরে দেখা গেছে, কুমিল্লা সদর উপজেলার দুর্গাপুর উত্তরের সানি এগ্রো ফার্মে লালনপালন করা হয়েছে ‘যুবরাজ’ নামের একটি গরু, যার ওজন এক হাজার কেজিরও বেশি। দাম হাঁকা হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা। ফার্মের মালিক সানি জানান, ‘যুবরাজের’ প্রিয় খাবার ঘাস হলেও প্রতিদিন তাকে তিনবার গোসল করাতে হয় যেন সে শান্ত থাকে। প্রাকৃতিক খাবারেই লালনপালন করা হয়েছে গরুগুলোকে।
অন্যদিকে, কুমিল্লার ছোটরা এলাকার নূর জাহান ফার্মে ‘বস’, ‘বাহুবলী’, ‘মেসি’, ‘নেইমার’, ‘পুতুল’সহ নানা নামে গরু পালন করা হচ্ছে। ফার্মটির মালিক মো. রিপন জানান, শখের বসেই প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে এসব গরু বড় করেছেন। কোরবানির সময় ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই এমন নামকরণ।
গরু দেখতে খামারে আসা ক্রেতারাও জানাচ্ছেন সন্তুষ্টির কথা। নগরীর ঝাউতলা এলাকার ফেরদৌসী জাহান বলেন, “বাজারে গিয়ে ঝামেলা পোহাতে হয়। তাই ছেলেকে নিয়ে খামারেই এসেছি। এখান থেকে কিনে কোরবানির আগ পর্যন্ত ফার্মেই রাখার সুবিধা আছে।”
শহরের চানপুর এলাকার আফজাল হোসেন বলেন, “হাটে গরু কেনার আলাদা আনন্দ আছে, তবে খামারে ঘুরে ঘুরে ভালো সাইজের গরু দেখা যায়। দা

