ছবি: সংগৃহীত
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত এক ঐতিহাসিক বৈঠকের ধারাবাহিকতায় রাশিয়া ও ইউক্রেইন শুক্রবার প্রথম দফায় ৩৯০ জন করে মোট ৭৮০ জন যুদ্ধবন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। দুই দেশের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ১৬ মে ইস্তাম্বুলে আয়োজিত বৈঠকে মস্কো ও কিইভ এক হাজার করে যুদ্ধবন্দি বিনিময়ে সম্মত হয়। শুক্রবার প্রথম ধাপে ৭৮০ জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়। বাকি বন্দিদের মুক্তি শনিবার ও রবিবারের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরুর পর থেকে এটি দুই পক্ষের মধ্যে সবচেয়ে বড় বন্দি বিনিময়।
এই বন্দি বিনিময়ের চুক্তি আসে রাশিয়া ও ইউক্রেইনের নেতাদের মধ্যে ইস্তাম্বুলে তিন বছরের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম সরাসরি আলোচনায়। বৈঠকে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনার আলোচনা হলেও ইউক্রেইন রাশিয়ার দেওয়া শর্তে রাজি না হওয়ায় সেই উদ্যোগে অগ্রগতি হয়নি।
মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রতিটি পক্ষের ২৭০ জন সৈন্য ও ১২০ জন করে বেসামরিক নাগরিক রয়েছে বলে জানায় মস্কো ও কিইভ।
এক টেলিভিশন ভাষণে ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, “আজ প্রায় ৪০০ মানুষ বাড়ি ফিরেছে। আমরা সবাইকে ফিরিয়ে আনবো, কারণ তারা আমাদের নাগরিক।”
ছাড়া পাওয়া ইউক্রেইনীয়দের উত্তরাঞ্চলীয় চেরনিহিভ অঞ্চলের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের অনেকেই দুর্বল ও ক্লান্ত দেখাচ্ছিল বলে রয়টার্সের খবরে উল্লেখ করা হয়।
অন্যদিকে রুশ বন্দিদের বেলারুশে নেওয়া হয়েছে, যেখানে মানসিক ও শারীরিক চিকিৎসা শেষে তাদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ইউক্রেইনের মুক্তি দেওয়া রুশ বেসামরিকদের মধ্যে কুর্স্ক অঞ্চলের অনেক বাসিন্দা রয়েছেন, যারা এক সময় কিইভের সামরিক দখলের মুখে পড়েছিলেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এই বন্দি বিনিময় উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে তিনি লেখেন, “এই সমঝোতার জন্য উভয় পক্ষকে অভিনন্দন। এটা কি বড় কিà

