ছবি: সংগৃহীত
গণঅভ্যুত্থানের নয় মাস পর রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জাতীয় নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। বুধবার ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত ‘অফিসার্স অ্যাড্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে একটি নির্বাচিত সরকারেরই অধিকার রয়েছে। তিনি ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়াল মাধ্যমে অংশ নেন। জেনারেল ওয়াকার বলেন, “যে কোনো করিডোর, বন্দর বা সংস্কারমূলক উদ্যোগ রাজনৈতিক সরকারের মাধ্যমেই নেওয়া উচিত। এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে হবে বৈধ প্রক্রিয়ায় এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে।”
রাখাইন রাজ্যে মানবিক করিডোর গঠনের প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এ সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র একটি নির্বাচিত সরকারই নিতে পারে। জাতীয় স্বার্থেই সব কিছু করতে হবে, আর তা রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে হওয়া উচিত।”
চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়েও সেনাপ্রধান সতর্কতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এ ধরনের সিদ্ধান্তের আগে স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক নেতাদের মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এসব সিদ্ধান্ত অবশ্যই একটি রাজনৈতিক সরকারের মাধ্যমেই আসা উচিত।”
সংস্কার নিয়ে প্রশ্নের জবাবে সেনাপ্রধান জানান, সরকার তার সঙ্গে কোনো পরামর্শ করেনি এবং কী ধরনের সংস্কার হচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।
সামগ্রিক পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করে জেনারেল ওয়াকার বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কখনোই এমন কোনো কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবে না, যা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হতে পারে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় সেনাবাহিনী এখন আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে।” তিনি ‘মব ভায়োলেন্স’ বা সংঘবদ্ধ জনতার সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেন।
যুক্তরাজ্যপ্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের তার ফেসবুক পোস্টে সেà¦

