ছবি: সংগৃহীত
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ইতিহাসে নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের স্বাদ পেল সংযুক্ত আরব আমিরাত। আর সেই ম্যাচটিই পরিণত হলো বাংলাদেশের জন্য এক বিব্রতকর অধ্যায়ে। ২০৬ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য ছুঁয়ে প্রথমবারের মতো কোনো টেস্ট খেলুড়ে দলের বিপক্ষে জয় তুলে নিল আমিরাত। আর এই লজ্জাজনক হার মেনে নিতে গিয়ে দায় চাপালেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস—শিশিরের ওপর।
সোমবার শারজাহ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে ২০৫ রান তোলে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ১৯১ রান করে ২৭ রানে জয় পেয়েছিল দলটি। কিন্তু এবার দুইশ’র বেশি রান করেও পরাজিত হলো, যা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাদের ইতিহাসে প্রথম।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে লিটন বলেন, “ব্যাটিংয়ের সময় ওরা শিশিরের সুবিধা পেয়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি, কিন্তু ফিল্ডিং ও মাঝের ওভারগুলোর বোলিংয়ে ভুল হয়েছে।” তবে ম্যাচজুড়ে বাংলাদেশের এলোমেলো বোলিং ও অনিয়মিত ফিল্ডিংয়ের চিত্র শিশিরের তুলনায় অনেক বেশি দায়ী বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
স্বাগতিক অধিনায়ক মোহাম্মদ ওয়াসিম শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। প্রথম সাত ওভারে প্রতিটি ওভারে আসে বাউন্ডারি। প্রথম ১০ ওভারে স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ১০৭ রান। পানি বিরতির পর টানা দুটি উইকেট এনে দিয়ে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় বাংলাদেশ, কিন্তু ওয়াসিমের ইনিংসে ভর করে আবারও চালকের আসনে ফেরে আমিরাত।
শেষ ১১ বলে প্রয়োজন ছিল ২৯ রান, হাতে ছিল মাত্র ৩ উইকেট। এমন অবস্থায় শরিফুল ইসলাম শেষ ওভারের আগের ওভারে দেন ১৭ রান। আর শেষ ওভারে মাত্র ৫ বলেই ১২ রান দিয়ে হারের দায় বয়ে বেড়াতে হয় তানজিম হাসানকে।
এই ম্যাচে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় তরুণ পেসার নাহিদ রানার। কিন্তু প্রথম বলেই ছক্কা হজম করেন ‘বিমার’ দিয়ে। তার চার ওভারে আসে ৫০ রান, হাঁকানো হয় ৭টি চার ও ২টি ছক্কা। বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকে ৫০ বা তার বেশি রান দেওয়া তৃতীয় বোলার এখন নাহিদ। ম্যাচ শেষে লিটনও স্বীকার করেন, “রানার কাছ থেকে আমাদের প্রত্যাশা আরও বেশি ছিল।”
অভিজ্ঞ ওপেনার লিটন দাস এই ম্যাচে কিছুটা ফিরà

