প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। ফাইল ছবি, উইকিপিডিয়া
বাংলাদেশে চলমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখনো দেশের জনগণের কাছে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, দেশের মানুষ সরকারকে এখনো চলে যেতে বলছে না, বরং একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের প্রত্যাশায় রয়েছে।
কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার সাক্ষাৎকারভিত্তিক অনুষ্ঠান ‘টক টু আল–জাজিরা’-তে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ড. ইউনূস। রোববার আল–জাজিরার ওয়েবসাইটে ‘মুহাম্মদ ইউনূস: রিয়েল রিফর্ম অর জাস্ট আ নিউ রুলিং ক্লাস ইন বাংলাদেশ?’ শিরোনামে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।
সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর ‘মধুচন্দ্রিমা’ পর্ব শেষ হয়েছে কিনা—জানতে চাইলে ড. ইউনূস বলেন, “দুটি বিষয় আছে—একটি জনগণের অধৈর্যতা, আরেকটি হলো বাস্তবতা। বাংলাদেশের পরিস্থিতি দেখে মানুষ এখনো মনে করে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই তাদের জন্য সঠিক পথ। তারা এখনো বলছে না যে সরকার চলে যাক। কেউ আমাদের তাড়িয়ে দেওয়ার দাবি তুলছে না। বরং আমরা নির্বাচনের দিকেই এগোচ্ছি।”
নির্বাচনের সময়সীমা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সংস্কারের তালিকা ছোট হলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন সম্ভব। আর যদি তালিকাটি দীর্ঘ হয়, তাহলে আগামী বছরের জুন মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর পরে নির্বাচন পিছিয়ে যাবে না।”
আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই বিষয়ে একটি অংশ আওয়ামী লীগকেই নির্ধারণ করতে হবে। তারা সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচনে অংশ নেবে কি না। তারা এখনো কিছু ঘোষণা করেনি। পাশাপাশি, নির্বাচন কমিশনের অবস্থান এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কেউ কেউ বলতে পারে—বর্তমান আইনের আওতায় আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।”
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, “আমরা জাতিসং

