ছবি: উইকিপিডিয়া
বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ ও শোভন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৮৫০ মিলিয়ন (৮৫ কোটি) ডলারের দুটি ঋণচুক্তি সই করেছে বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার। এই চুক্তির আওতায় দেশের বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানো, অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং জাতীয় সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থা আধুনিক করার কাজ করা হবে।
বিশ্বব্যাংকের অন্তর্বর্তীকালীন কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন জানান, প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছেন—তাদের জন্য টেকসই ও শোভন কর্মসংস্থান তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। এই প্রকল্পগুলো দেশের অর্থনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন আনবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বে টার্মিনাল মেরিন ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (৬৫০ মিলিয়ন ডলার)
- গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ
- ৬ কিমি জলবায়ু-সহিষ্ণু ঢেউরোধক ও বন্দরের প্রবেশপথ নির্মাণ
- বড় জাহাজ ভিড়তে পারবে
- রপ্তানি সক্ষমতা বাড়বে
- দৈনিক প্রায় ১০ লাখ ডলার সাশ্রয়
- দেশের ৩৬% কনটেইনার ওঠানামা এখানেই হবে
- ১০ লাখ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন
সামাজিক সুরক্ষা ও কর্মসংস্থান প্রকল্প (২০০ মিলিয়ন ডলার)
- নগদ সহায়তা
- ৪৫ লাখ মানুষের জীবিকা উন্নয়ন
- ২৫ লাখ মানুষের দক্ষতা ও আয় বাড়ানো
- বিশেষ গুরুত্ব: তরুণ, নারী, প্রতিবন্ধী ও জলবায়ুতে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী
- উদ্যোক্তা গঠনে সহায়তা
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ও জলবায়ু সহনশীল ভবিষ্যতের পথে এক বড় অগ্রগতি।
চুক্তিপত্রে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন সচিব শাহরিয়ার সিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে গেইল মার্টিন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ ও বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার।

