প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। ফাইল ছবি, উইকিপিডিয়া
গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান এবং বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলা বাতিল করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে আদালত মন্তব্য করেছেন, ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার পর দুদকের তড়িঘড়ি মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগটি যথাযথ ছিল না।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে চার বিচারকের আপিল বেঞ্চ বুধবার এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের পর ইউনূসের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “আপিল বিভাগ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে—এই মামলা ছিল মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। এ কারণে মামলা বাতিলের রায় দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। একইসঙ্গে হাই কোর্টের যে আদেশে মামলার কার্যক্রম চালু রাখতে বলা হয়েছিল, তাও বাতিল করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, “ড. ইউনূস শুরু থেকেই আইনি প্রক্রিয়ায় মামলাটির নিষ্পত্তি চেয়েছিলেন। তিনি সরকারের কোনো অনুগ্রহ চাননি।”
২০২৩ সালের ৩০ মে দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে মামলাটি করেন। অভিযোগে বলা হয়, গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের লভ্যাংশের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে ওই অর্থ স্থানান্তর করেছেন ড. ইউনূসসহ ১৪ জন। এদের সবাই গ্রামীণ টেলিকমের কর্মকর্তা বা কর্মচারী।
২০২৪ সালের ১২ জুন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ মামলাটির অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয়। এরপর ৮ জুলাই ইউনূস হাই কোর্টে মামলার কার্যক্রম বাতিলের আবেদন করলে সেটি ২৪ জুলাই খারিজ হয়ে যায়।
হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ইউনূস আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন। এর মধ্যে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে যায়—ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন ইউনূস।
পরবর্তীতে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করে দুদক। ১১ আগস্ট বিশেষ জজ আদালত সে আবেদন মঞ্জুর করেন।
সবশেষে, ২১ অক্টোব

