সোমবার গভীর রাতে সদর উপজেলার খানজাহান (রহ.) মাজারের কাছে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেলে সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে, জানায় সদর মডেল থানার ওসি মাহমুদ-উল-হাসান।
মঙ্গলবার বিকালে, এসআই গৌতম কুমার মণ্ডল বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সন্ধ্যায়, তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন- বাগেরহাট পৌর শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি মো. আবুল কাসেম সেলিম ভূঁইয়া, তার ছেলে মোস্তফা কামাল সাব্বির ভূঁইয়া, ছোট ভাই মো. আজিম ভূঁইয়া, মো. সাগর হাসান, তুফান হাওলাদার, মো. মনি হাওলাদার, মো. নাইম মোল্লা, আরিফ হাওলাদার, রাজু মোল্লা, শাকিব আহম্মেদ রাজ, মো. সাজিদ, নিমাই সরকার, সিরাজুল শেখ, মো. মাশুক, মো. মিলন শিকদার, রবিউল সরদার, মো. ইয়াসিন আরাফাত এবং মো. শাহীন ওরফে অভি শেখ। তাদের বাড়ি বাগেরহাট পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায়।
এছাড়া, বাগেরহাট পৌর শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি মো. আবুল কাসেম সেলিম ভূঁইয়া ও তার ছোট ভাই মো. আজিম ভূঁইয়া মার্চ মাসে যুবদল নেতা জসিম সরদারের ওপর হামলার মামলার আসামি ছিলেন।
ওসি মাহমুদ-উল-হাসান জানান, সেনাবাহিনী ছয়টি হাতবোমাসহ ১৮ জনকে আটক করে পুলিশকে জানায়, পরে পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়। বোমাগুলো পানিতে ভিজিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থক।

